সত্য ঘটনা, একটি অপারেশন এর পর কি হলো, আল্লাহর কুদরত দেখুন

যুক্তরাষ্ট্রে সম্প্রতি যে ঘটনা তুমুল আলোড়নে সাড়া জাগিয়েছে তার জন্ম যেমন সুগভীর রহস্যময়তায় পরিবৃত, তেমনি দ্বান্দ্বিক পরিস্থিতি সৃষ্টি করেছে প্রচলিত লোকবিশ্বাস আর যৌক্তিক বিজ্ঞানের প্রতিষ্ঠিত পদ্ধতির মধ্যে।

কারণ আটপৌরে মানুষ এমন ঘটনার কেন্দ্রীভূত কারণ সম্পর্কে প্রত্যয়ে যেটা নিয়েছেন, বিজ্ঞান তার নিরূপিত তথ্যপ্রমাণের ভিত্তিতে তাতে ফাটল ধরাতে পারেনি। বহু পদ্ধতি অনুসরণ করেও আধুনিক বিজ্ঞান এই রহস্যের আবরণ উন্মোচন করতে ব্যর্থ হয়েছে বলেই এই প্রশ্ন আজ অজস্র জনমনে উচ্চারিত হচ্ছে—আসলেই এ কান্না কার? কে কাঁদছে বুকফাটা অন্তর্বেদনায় এমন আকুলতর ক্রন্দন?

কান্নাটা প্রথম শুনতে পান ইভান ম্যাকওয়েল নামের এক কম্পিউটার প্রকৌশলী। রোজ ভোর হওয়ার আগে পঞ্চাশ মিনিট মর্নিং ওয়াক করা তার অনেককালের অভ্যাস। কান্নাটা ভেসে আসছিল একটি জীর্ণ পরিত্যক্ত নেইবারহুডের একমাত্র অবশিষ্ট বাড়ি থেকে। ১৮৫৬ থেকে ১৯৪৫ সাল অবধি এই মহল্লাটি ছিল জমজমাট এক সরগরম পাড়া। আজ বিস্তর গাছপালা আর বনজঙ্গলের ভিড়ে ওই ভগ্নদশা বাড়িটাই কেবল দাঁড়িয়ে রয়েছে সুদূর অতীতের সাক্ষী হয়ে।

তবে কংক্রিটের রাস্তাগুলো এখনো সম্পূর্ণ মিলিয়ে যায়নি বলে পাশের নতুন পাড়া আইভরি ক্রিক থেকে অনেকেই এখানে হাঁটার এক্সারসাইজটা নিয়মিত সেরে নেন। ইভান তাদেরই একজন। কান্না শুনতে শুনতে বিস্ময়ে বিহ্বল হয়ে যাচ্ছিল ইভান। কিন্তু প্রকৃতিতে তিনি ভিতু নন। রীতিমতো উদ্দীপ্ত প্রাণ এক সাহসী যুবক। ড্রাইভওয়ে পেরিয়ে বিস্মিত কৌতূহলে পরক্ষণই তিনি যান পরিত্যক্ত বাড়ির বারান্দায়। জানালায় চোখ রেখে স্তুপিকৃত অন্ধকার ছাড়া ভেতরে অবশ্য কিছুই দেখতে পাননি সেদিন।

তবে কান্নাটা হঠাৎ থেমে গিয়েছিল। পরের দিন হাঁটতে বেরিয়ে সেই কান্না আর শুনতে পাননি ইভান। কিন্তু দুদিন পর থেকে আবার সেই কান্না একটানা তিন দিন ধরে শুনতে শুনতেই সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন, ব্যাপারটার এবার ফয়সালা হওয়া দরকার। দিন বদলাচ্ছে।

জীর্ণ বাড়িটা অসামাজিক গুণ্ডা-বদমাশদের আখড়া হয়ে ওঠা বিচিত্র কিছু নয়। অতএব স্বভাবতই এরপরে থানা-পুলিশ হলো। কাউন্টির পুলিশ অফিসাররা ভেতরে নিখুঁত তল্লাশি চালিয়ে ইভানের বক্তব্যের সত্যতা অবশ্য খুঁজে পাননি। প্রতিবেশীরা তরুণের মানসিক স্থিতিশীলতা সম্পর্কে সে কারণেই সন্দিগ্ধ হতে শুরু করলেন।

Be the first to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published.


*