৫ টি ভ,য়ানক মেয়েলী রোগ যা বেশিরভাগ নারীরা মুখ ফুটে বলতে পারেন না

বিভিন্ন গোপন রোগের মেয়েরা জর্জরিত থাকে, কিন্তু তারা সহজে তা কাউকে বলতে চায় না। আর গোপন রোগ বলে লজ্জায় সহজে ডাক্তারের কাছে ও যেতে চায়না। সে ক্ষেত্রে রোগ কিন্তু আরো দ্বিগুন হয়, এবং পরবর্তীতে তা ভয়ানক আকার ধারণ করে। তাই আসুন এসব মেয়েলী রোগ সম্পর্কে জেনে নিন এবং সতর্ক হই।

ইউরিন্যারি ট্র্যাক্ট ইনফেকশন ( ইউটিআই ) : ব্লাডারে ইনফেকশন মহিলাদেরই বেশিভাগ সময় হয়ে থাকে। এর থেকে ইউপিআই এর শিকার হন মহিলারা। বেশিদিনের ইনফেকশন ফেলে রাখলে কিডনিতে পর্যন্ত ইনফেকশন হতে পারে। ইউটিআই এর উপসর্গ হলো- প্রস্রাবের সময় জ্বালা, ঘন ঘন প্রস্রাব এ যাওয়া, তলপেটে ব্যথা ও জ্বর।

আরো পড়ুনঃ ঘরোয়া পদ্ধতিতে ত্বকে নিয়ে আসুন এক্সট্রা গ্লো
মেনস্ট্রুয়াল ইরেগুলারিটি: পিউবার্টি স্টেজ থেকে মেনোপজ, যেকোনো বয়সেই হতে পারে এই সমস্যা। ঠিক সময়ে ঋতুস্রাব না হওয়া, বা অতিরিক্ত ঋতুস্রাব হওয়া ইত্যাদি হয়ে থাকে। বেশিদিন এমন চলতে থাকলে পলিসিস্টিক অভারিয়ান ডিজিজ হতে পারে। ঠিকমতো চিকিৎসা না করলে গর্ভধারণে সমস্যা হয়।

ব্রেস্ট ক্যান্সার: মহিলাদের আরো একটি সাধারণ রোগ হলো ব্রেস্ট ক্যান্সার। ঋতুচক্র ঠিকঠাক না হলে ব্রেস্ট ক্যান্সার, কোলন ক্যান্সার, জরায়ুর ক্যান্সার হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। অধিকাংশ ক্ষেত্রেই এই ক্যান্সার ম্যালিগন্যান্ট হয়ে থাকে।

ডিপ্রেশন: পুরুষদের তুলনায় মহিলারা অনেক বেশি ডিপ্রেশনের শিকার হন। ডিপ্রেশন থেকে সারাদিন ক্লান্তি বোধ করা, মাথার যন্ত্রণা, হজমে সমস্যা, এনজাইটি হরমোনের সমস্যা ইত্যাদি থাকে। বিশেষ করে পিউবার্টি ও মোনোপজের সময় ডিপ্রেশন বেশি হয়। জিনগত কারণে, স্কুলের ছোট বেলায় মানসিকভাবে অত্যাচারিত হলে বা ছোটবেলায় যৌন নিগ্রহের শিকার হলে ডিপ্রেশন চলতে থাকে।

আরো পড়ুনঃ ‘বিয়ের পর তো চাঁদনী চকেই নিয়ে যেতে পারলা না?’
পলিসিস্টিক ওভারিয়ান সিনড্রোম: পলিসিস্টিক ওভারিয়ান সিনড্রোম থাকলে ওজন বেড়ে যায়। শরীরের মেদ জমলে ডায়াবেটিস, হাইপার টেনশন, বাতের ব্যথা ও হার্টের সমস্যা হতে পারে।

Be the first to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published.


*