ডাক্তার নাকি ক,সাই !! সি,জা,র ক,রতে রো,গির নাড় কে,টে দিলেন

ভুক্তভোগী পরিবার জানায়, বৃহস্পতিবার রাতে ওই ক্লিনিকে ভর্তি করা হয় সিড্যা ইউনিয়নের ৬নং ওয়ার্ডের মো. রমজান আলী তালুকদারের স্ত্রীকে। শুক্রবার সকাল সাড়ে ৮টার দিকে সিজারিয়ান অপারেশন করেন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মা ও শিশু কেন্দ্রের ডাক্তার ইসরাত জাহান। বাচ্চা প্রসবের পর নবজাতকের পা ভাঙা পাওয়া গেছে।

নবজাতকের বাবা মো. রমজান আলী তালুকদার জানান, হ্যাপি ক্লিনিকে স্ত্রীকে ভর্তি করা হয়। অস্ত্রোপচারের পর বাচ্চা নিয়ে আসলে তার পা ফুলা ও উল্টো অবস্থায় দেখতে পাই। তখন হাসপাতালের নার্সদের কাছে এ বিষয়ে জানতে চাইলে তারা বলেন ডাক্তারের তাড়াহুড়োর কারণে এমনটা ঘটেছে।

‘এরপর ডাক্তারের সঙ্গে দেখা করে পা কেন ভেঙেছে জানতে চাইলে উত্তর না দিয়ে তিনি দরজা লাগিয়ে দেন
নবজাতকের মা তাসলিমা বেগম বলেন, দায়সারা অপারেশন করতে গিয়ে আমার ছেলের পা ভেঙেছে ডা. ইসরাত জাহান। আমি এর বিচার চাই।

এ ব্যাপারে চিকিৎসক ইসরাত জাহান বলেন, পা ভাঙাতে কোনো সমস্যাই না। ঠিক হয়ে যাবে।
ডামুড্যা উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. শেখ মোহাম্মদ মোস্তাফা খোকন জানান, এ সংক্রান্ত একটি অভিযোগ পেয়েছি। হ্যাপি ক্লিনিকে যদি এমন ঘটনা ঘটে তাহলে তদন্ত কমিটি গঠন করে বিস্তারিত জানাব।

ভিডিওটি দেখুন

Be the first to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published.


*